📢 নোটিশ: সার্ভারের অপ্রত্যাশিত সমস্যার কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মুছে গেছে। তাই সাময়িকভাবে কিছু সেবা বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল আমার HSC পরীক্ষা থাকায় ইনশাআল্লাহ আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে সার্ভার পুনরুদ্ধার ও সাপোর্ট কার্যক্রম আবার শুরু হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ধন্যবাদ।📢 নোটিশ: সার্ভারের অপ্রত্যাশিত সমস্যার কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মুছে গেছে। তাই সাময়িকভাবে কিছু সেবা বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল আমার HSC পরীক্ষা থাকায় ইনশাআল্লাহ আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে সার্ভার পুনরুদ্ধার ও সাপোর্ট কার্যক্রম আবার শুরু হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ধন্যবাদ।📢 নোটিশ: সার্ভারের অপ্রত্যাশিত সমস্যার কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মুছে গেছে। তাই সাময়িকভাবে কিছু সেবা বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল আমার HSC পরীক্ষা থাকায় ইনশাআল্লাহ আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে সার্ভার পুনরুদ্ধার ও সাপোর্ট কার্যক্রম আবার শুরু হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ধন্যবাদ।📢 নোটিশ: সার্ভারের অপ্রত্যাশিত সমস্যার কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মুছে গেছে। তাই সাময়িকভাবে কিছু সেবা বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল আমার HSC পরীক্ষা থাকায় ইনশাআল্লাহ আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে সার্ভার পুনরুদ্ধার ও সাপোর্ট কার্যক্রম আবার শুরু হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ধন্যবাদ।
Welcome to Jisanverse📢 গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ প্রিয় ব্যবহারকারীবৃন্দ, আমাদের হোস্টিং সার্ভারে হঠাৎ কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ওয়েবসাইটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মুছে গেছে। এর ফলে সাময়িকভাবে কিছু সেবা স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এছাড়া আগামীকাল আমার HSC পরীক্ষা থাকায় আজ আর সার্ভারের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে পুনরায় সার্ভার রিকভারি ও সকল সমস্যার সমাধানের কাজ শুরু করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব সেবাগুলো আবার সচল করার চেষ্টা করা হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। — JISAN
সঙ্গীত সবসময়ই মনের অনুভূতি প্রকাশের সেরা মাধ্যম। সম্প্রতি আমরা দুটি চমৎকার গান—‘টাইটেল ১০১’ এবং ‘দীপান্বিতা’ কাভার করেছি।
‘টাইটেল ১০১’ গানটির নিজস্ব একটা সুন্দর মেলোডি আর ভাব আছে, অন্যদিকে ‘দীপান্বিতা’ গানটির রোমান্টিক ও মায়াবী সুর যেকোনো শ্রোতার মন ছুঁয়ে যায়। দুটো ভিন্ন অনুভূতির গান একসাথে গাওয়ার অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ ছিল। আমাদের এই ছোট্ট চেষ্টাটি আপনাদের কেমন লাগলো, তা জানতে ভীষণ আগ্রহী!
🌅 ভোরের জিয়া উদ্যান — প্রকৃতির নীরবতায় নতুন দিনের শুরু 🌿
ঢাকার ব্যস্ত শহরের মাঝেও এমন কিছু মুহূর্ত আছে, যেখানে সময় যেন একটু ধীরে চলে। আজ ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে জিয়া উদ্যানে দাঁড়িয়ে সেই অনুভূতিটাই আবার নতুন করে উপলব্ধি করলাম।
সূর্যের প্রথম আলো যখন গাছের পাতার ফাঁক গলে মাটিতে পড়ছিল, তখন চারপাশে ছিল এক অন্যরকম শান্তি। কোথাও সকালের হাঁটাহাঁটি, কোথাও দৌড়ানোর ব্যস্ততা, আবার কোথাও বেঞ্চে বসে নিঃশব্দে প্রকৃতিকে উপভোগ করছেন কেউ। পাখির ডাক, হালকা শীতল বাতাস আর সবুজের সমারোহ—সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে চলে এসেছি।
এমন সকাল শুধু চোখকে নয়, মনকেও প্রশান্ত করে। দিনের শুরু যদি এমন নির্মল পরিবেশে হয়, তাহলে সারাদিনের ক্লান্তিও যেন অনেকটাই কম মনে হয়।
এই ভিডিওতে চেষ্টা করেছি সেই সকালের সুন্দর পরিবেশ, সবুজ প্রকৃতি আর শান্ত মুহূর্তগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। আশা করি ভিডিওটি দেখে আপনাদেরও ভালো লাগবে এবং একটুখানি হলেও সকালের সেই নির্মল অনুভূতি উপভোগ করতে পারবেন।
🎥 ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করবেন। আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। এমন আরও সুন্দর জায়গার ভিডিও দেখতে চাইলে ফলো করে পাশে থাকুন।
🌿 প্রকৃতির কাছে গেলে মন ভালো হয়ে যায়—আপনিও সময় পেলে একদিন খুব ভোরে জিয়া উদ্যানে ঘুরে আসুন।
💔 জীবনের কিছু মুহূর্ত মানুষকে অনেক বড় শিক্ষা দিয়ে যায়...
গতকাল রাত ১১:০০ টায় বাসা (মিরপুর) থেকে বের হলাম। তখন আমার ফোনে মাত্র ১৬% চার্জ ছিল। তখন একবারও ভাবিনি, এই ১৬% চার্জটাই কয়েক ঘণ্টা পর আমার জীবনের সবচেয়ে অসহায় মুহূর্তগুলোর একটি তৈরি করবে।
🕚 ১১:০০ PM
বাসা থেকে মহাখালীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
🕦 ১১:৪০ PM
মহাখালী পৌঁছে বড় ভাইয়ের হোস্টেলে গেলাম। কিছুক্ষণ গল্প করার পর রাত ১২:০০ টার দিকে আমরা হেঁটেই TSC-এর উদ্দেশ্যে বের হলাম।
🚶 ১২:০০ AM – ১:১০ AM
প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট হেঁটে ১:১০ AM-এ TSC-তে পৌঁছালাম।
সেখানে গিয়ে FIFA ফাইনালের প্রথমার্ধ দেখতে শুরু করলাম।
🕑 ২:০০ AM
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ TSC-তে মারামারির পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিরাপত্তার কথা ভেবে আমরা সেখান থেকে দ্রুত বের হয়ে আবার মহাখালী ফিরে আসি।
🕑 ২:২০ AM
এরপর টিটুমীর কলেজে গিয়ে খেলার বাকি অংশ দেখলাম।
🕞 ৩:৩০ AM
খেলা শেষ হওয়ার পর আবার বড় ভাইয়ের মহাখালীর হোস্টেলে ফিরে এলাম। সবাই মিলে স্পেনের জয় উদযাপন করলাম।
🕌 ৪:৩০ AM
ফজরের নামাজ আদায় করলাম।
💻 ৪:৪০ AM – ৫:৪০ AM
প্রায় এক ঘণ্টা ল্যাপটপে কিছু কাজ করলাম।
🚶 ৫:৪০ AM
হোস্টেল থেকে মিরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
মহাখালী রেলগেট পার হয়ে জাহাঙ্গীর গেটের কাছে এসে দেখি ম্যারাথন চলছে।
আমি সাধারণত ঢাকায় থাকলে তেমন হাঁটাহাঁটি বা কোনো ধরনের পরিশ্রমই করি না। তাই ভাবলাম, যেহেতু সামনে পেলাম, মজা করেই একটা রেসে অংশ নিই।
প্রথম রেস শেষ করে আমার মনে হচ্ছিল আমি দ্বিতীয় হয়েছি। কিন্তু ফলাফল ঘোষণার সময় জানতে পারলাম, আমি আসলে প্রথম হয়েছি! সত্যি বলতে, নিজের কাছেই বিশ্বাস হচ্ছিল না।
এরপর বিজয় সরণি ঘুরে আবার জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত দ্বিতীয় রেসে অংশ নিলাম। সেখানে দ্বিতীয় হলাম।
ভাবলাম, আরেকটা শেষ রেস দিই। তৃতীয় রেসেও অংশ নিলাম। সেখানেও দ্বিতীয় হলাম।
তিনটা রেস শেষ করার পরও বুঝতেই পারিনি, আমার শরীরের ভেতরে কী হতে যাচ্ছে...
---
⚠️ জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর মুহূর্ত...
তৃতীয় রেস শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট পর হঠাৎ করেই মনে হলো, কেউ যেন আমার পেটের ভেতরটা শক্ত করে মোচড় দিয়ে চেপে ধরেছে।
প্রথমে ভাবলাম, হয়তো একটু ব্যথা করছে, কয়েক মিনিট পর ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু না...
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ব্যথা এতটাই অসহ্য হয়ে গেল যে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাও অসম্ভব হয়ে পড়ল।
মনে হচ্ছিল—
💔 পেটটা যেন ভেতর থেকে ছিঁড়ে যাচ্ছে।
😣 কেউ যেন ধারালো কিছু দিয়ে ভেতর থেকে বারবার আঘাত করছে।
😵 মাথা প্রচণ্ড ঘুরছিল।
😮💨 শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল।
👀 চোখের সামনে সবকিছু ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল।
আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না।
রাস্তার পাশের ঘাসের ওপর বসে পড়লাম।
ভাবলাম, একটু বসলে হয়তো ব্যথা কমে যাবে।
কিন্তু প্রতি মিনিটে ব্যথা আরও বাড়ছিল।
কয়েকবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম।
পারলাম না।
মনে হচ্ছিল, যদি এখানেই অজ্ঞান হয়ে যাই, তাহলে হয়তো কেউ আমার পরিচয়ও জানতে পারবে না।
চারপাশে শত শত মানুষ ছিল।
কেউ দৌড়াচ্ছিল।
কেউ ছবি তুলছিল।
কেউ বন্ধুদের সঙ্গে হাসছিল।
অনেকে আমার দিকে তাকিয়েও চলে যাচ্ছিল।
কিন্তু একজনও এসে জিজ্ঞেস করল না—
"ভাই, আপনার কি হয়েছে?"
সেই মুহূর্তে শুধু একটা চিন্তাই মাথায় ঘুরছিল...
"যদি এখানেই কিছু হয়ে যায়, তাহলে আমার পরিবারের কাছে খবরটা কে পৌঁছে দেবে?"
বাসায় ফোন করতে গেলাম।
কিন্তু রাত ১১টা থেকে ব্যবহার করতে করতে ফোনের ১৬% চার্জ শেষ হয়ে ফোন বন্ধ হয়ে গেছে।
আমি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়লাম।
---
❤️ তারপর...
প্রায় ১৫–২০ মিনিট পরে আমারই বয়সী একজন আপু এসে বললেন,
"ভাইয়া, আপনার কি কোনো সমস্যা হয়েছে?"
আমি শুধু বললাম...
"আপু... একটু পানি হবে?"
তিনি সঙ্গে সঙ্গে অন্য একজনের কাছ থেকে পানি এনে আমাকে দিলেন।
পানি খাওয়ার পর আমি বললাম,
"আপনার ফোনে কি ব্যালেন্স আছে? বাসায় একটা কল দিতে চাই।"
তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে নিজের ফোনটা আমার হাতে তুলে দিলেন।
আমি আমার সিম খুলে তাঁর ফোনে লাগালাম।
কিন্তু তখন বুঝলাম, আরেকটা বড় সমস্যায় পড়েছি।
আমার আপুর যে নম্বরটা আমি জানি, সেই সিমটাই তখন আমার কাছেই ছিল।
আর আপুর ফোনে যে সিম ছিল, সেই নম্বরটা আমার মুখস্থ ছিল না।
তাই বাসায় আর ফোন করতে পারলাম না।
এরপর যাদের নম্বর মোটামুটি মুখস্থ ছিল—
📞 তামিম
📞 ফাহিম
📞 সাগর ভাই
📞 খাদিজা
📞 রোজা
📞 অ্যাবন্টি
এক এক করে সবাইকে কল করার চেষ্টা করলাম।
কিন্তু কেউই ফোন ধরল না। 😅
হয়তো সবাই ব্যস্ত ছিল, হয়তো ফোন সাইলেন্টে ছিল—আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না।
কিন্তু সেই মুহূর্তে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে একা মানুষ মনে হচ্ছিল।
ব্যথা তখনও একটুও কমছিল না।
বরং আরও বাড়ছিল।
সেই আপুটি পুরো সময় আমার পাশেই ছিলেন।
বারবার জিজ্ঞেস করছিলেন আমি ঠিক আছি কিনা।
পানি দিলেন।
সাহস দিলেন।
একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ হয়েও নিজের মানুষের মতো পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।
এত কষ্টের মধ্যে আমি তাঁর নাম কিংবা ফোন নম্বর—কিছুই জিজ্ঞেস করতে পারিনি।
আজও জানি না তিনি কে।
---
🏠 শেষ পর্যন্ত...
প্রায় এক ঘণ্টা পর ব্যথা কিছুটা কমলে ধীরে ধীরে উঠে বাসে উঠলাম।
বাসায় ফিরে ওষুধ খেলাম।
তারপর প্রায় ৭ ঘণ্টা ঘুমালাম।
এখন আলহামদুলিল্লাহ, অনেকটাই সুস্থ আছি।
---
💙 এই পোস্টটা কেন?
এই পোস্টটা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য নয়।
শুধু একটা শিক্ষা শেয়ার করার জন্য।
জীবনে অনেক পরিচিত মানুষ থাকে।
অনেক বন্ধু থাকে।
অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী থাকে।
কিন্তু বিপদের সময় বোঝা যায়—
কে সত্যিই আপনার মানুষ, আর কে শুধু পরিচিত।
আর একটা জিনিস শিখলাম...
রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও, একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষও সবচেয়ে কঠিন সময়ে নিজের মানুষের মতো পাশে দাঁড়াতে পারে।
যদি সেই আপুটি কোনোভাবে এই পোস্টটা দেখে থাকেন...
আপু, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার সেই কয়েক মিনিটের সাহায্য হয়তো আপনার কাছে খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় ভরসা। আল্লাহ আপনাকে দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন। 🤲❤️